ভুলেই গেছি আজ বুদ্ধিজীবী দিবস। মার্কার দিয়ে লিখলাম ১৪ ডিসেম্বর। সোমবার ছিল আজ।
পিলখানার শ্বেত মহেশ্বর মূর্তির সামনে লেগুনা দাঁড়িয়ে আছে। চালকের নাম রিপন। বাড়ি পটুয়াখালী। পদ্মার ওপারে। সে থাকছে ভূতের গলিতে।
সন্ধ্যা নামছে। বাতাসে প্রভাব খাটাচ্ছে হিমালয়। মাথার বানরটুপিটা পড়ে নেওয়া হলো।
সাইন্সল্যাবের সামনে আসতেই আজান হলো সন্ধ্যার। অজস্র নারী। রূপবতী আর ঢংবতী নারীদের আনাগোনা। রাস্তার পাশের দোকান থেকে বর্ণিল অন্তর্বাস কিনছে বেশিরভাগ।
অনেকেই শীতবস্ত্র কিনছে কিছু নারী।
নীলক্ষেত এলাম।
বই খুঁজছি। স্টিভ জবসের সাকসেস সিক্রেট। পাইনি।
বাসায় ফিরব।
শীত নামছে জেঁকে। গাড়ি চলতে শুরু করলো। আমি তাকালাম অনন্ত অম্বরে।আকাশ কেমন যেন এক রঙে আজ রাঙা। এই রঙে আগে সে কখনো সাজে নি।
আকাশ হয়ত জেনে গেছে, ১৯৭১ এর এই সন্ধ্যায় ঠিক এই জায়গাটিতেও ছিল খয়েরী রক্তের দাগ। নয়ত হানাদারদের হিংস্র বুটের শব্দ। এই নিউমার্কেট সেদিন ছিল শিক্ষকদের বলি হবার স্বাক্ষী।
আমরাই শুধু ভুলে গেছি। এই দেশ কারো দান নয়। তেজোদ্দীপ্ত উন্নতশির শিক্ষিত জাতির অকাতরে আত্মদান আর সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে লব্ধ এর প্রতি ইঞ্চি মাটি।
লাবণ্যময়ী এক নারী তার সুঢৌল স্তন দিয়ে আমার শরীরে ধাক্কা দিলো ভিড়ে৷ বিদ্যুৎ খেলে গেল। তার দিকে তাকাতেই মুচকি হাসলো সে। পকেট চেক করলাম। মানিব্যাগ ঠিক আছে।
