ট্রেন
কোথা থেকে যেন আসছি আমি। ট্রেন থেমেছে কাওরাইদ স্টেশনে। আমি নেমেছি। এখানে সন্ধ্যা নেমেছে। স্টেশনের আলোতে অনেক মানুষের সংলাপ। পেছনে তাকালাম। ফারজানা। মেয়েটার চেহারায় পাপিয়ার একটা ছায়া আছে। দুজনেই হাসিখুশি। পরস্পর বান্ধুবী। অনেকবার দুজনের নাম উল্টাপাল্টা করে ডেকে ফেলেছি এমন হয়েছে। পাপিয়ার সাথে কিছুদিন হলো দেখা হয়েছে। এই চকলেটের দোকানের সামনে। এই স্টেশনেই। বহুদিন পর দেখা হলো। কলেজের দিনগুলোর কথা সে বললো। আমরা ক্লাসের ফাঁকে মাঠে বসে মেতে উঠতাম আড্ডায়। আমাদের ব্যাচের একটা ছেলে তার খোঁজঁ রাখতো। কিন্তু সে মেয়েটাকে পছন্দ করে, সেটা বলার সাহস ছিলো না তার। আমাদের কলেজ মাঠে একটা আমগাছ ছিলো। গনিত স্যার সু পড়ে একবার এই গাছে উঠার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। আমরা আম ভর্তায় পিঁয়াজ দেয়ায় রাগ করেছিলাম পাপিয়ার উপর। একটা ছোট বাচ্চাকে আঙুলে বলেছিল,"আমার বাচ্চা! যা দুস্টুমি করে!" বলেছিলাম, বাচ্চার সৌন্দর্য দুস্টুমিতেই। তোমাদের হইলে বুঝবা। একবার তার বিবাহ বার্ষিকে আমরা আয়োজন করলাম। আমি সজিবের দোকান থেকে কাগজ প্রিন্ট করে চমৎকার এক আয়োজন করে ফেললাম। ...