প্রথমে ট্যাঙ্ক থেকে শেল নিক্ষেপ করা হলো। সঙ্গী চার যোদ্ধাই শাহাদাত বরণ করলেন। বেঁচে রইলেন শুধু ইয়াহইয়া সাহেব। এরপর রকেট লঞ্চার থেকে মিসাইল নিক্ষেপ করা হলো। তিনি গুরুতর আহত হলেন। দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি হারিয়ে একটা সোফার উপর বসে পড়লেন।
এরপর তারা একটা ড্রোন প্রেরণ করল।
তাঁর ডান হাতের ক্ষতস্থান থেকে তখন রক্ত ঝরছে, শরীর নিস্তেজ হয়ে আসছে। এরমধ্যেও শরীরের সবটুকু শক্তি সঞ্চয় করে বাম হাত দিয়ে একটা লাঠি তুলে ছুঁড়ে মারলেন ড্রোনটার দিকে। অবশেষে দখলদারদের স্নাইপারের গুলিতে শাহাদাত বরণ করলেন।
এরকম বীরের মতো মৃত্যুর বিবরণ কয়েক দশকে একবার পাওয়া যায়।
আর পাওয়া যায় সাহিত্যে, মহাকাব্যে। ইয়াহইয়া সাহেব আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া মহাকাব্যিক লড়াইয়ের সবচেয়ে সাহসী যোদ্ধা। অমর মহানায়ক।
ইয়াহিয়া সাহেবের সম্পূর্ণ জীবনটাই ছিল সংগ্রামের। মজলুমের পক্ষে আজীবন লড়াই করে গেছেন তিনি। মহান আল্লাহ তায়ালা এই শহীদ বীরকে মেহমান হিসেবে কবুল করুন।
.
আরেক ভাইয়ের অভিব্যক্তি—
“দুই বিলিয়ন মুসলিমের সম্মান রক্ষায়, ডান হাতসহ পুরো শরীর রক্তাক্ত হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও, বামহাতে লাঠি নিয়ে, পুরো বিশ্বের বিরুদ্ধে জীবনের শেষবিন্দু দিয়ে লড়ে গেছেন!”
রাহিমাকাল্লাহু ইয়া আবা ইবরাহীম!
~Kabir Ahmad Qasemi হাফি.
আরিফ আজাদের পোস্ট
সিনওয়ারের শাহাদার পর শাইখ আলী সাল্লাবী যেভাবে মূল্যায়ন করলেন-
.
জায়েদ বিন হারেসা নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তিনি শহীদ হয়ে গেলেন।
তারপর জাফর বিন আবি তালিব নেতৃত্ব নিলেন, তিনিও শহীদ হয়ে গেলেন। এবার আব্দুল্লাহ বিন রওয়াহা , তিনিও শহীদ হয়ে গেলেন।
.
শেষমেশ খালিদ আসলেন এবং বিজয় করলেন।
.
আল্লাহর তরবারী খালিদের আসা সময়ের ব্যাপার মাত্র ইন শা আল্লাহ্।
আল্লাহ্ খালিদের আগমন ত্বরান্বিত করুন।
আমিন
.
রদ্বিইয়াল্ল-হু 'আনহুম!
রহিমাহুমুল্ল-হ্!